SHAFIQ ISLAM
Home Publications Projects Math Guru Contact
Publications

All Publications

Article

জুলাই অভ্যুত্থানের শক্তি ও দুর্বলতা: কাগুজে সনদ বনাম বাস্তবতা

বাংলাদেশের অন্য সকল আন্দোলন সংগ্রামের মতো জুলাই অভ্যুত্থানের পেছনেও সুগঠিত বুদ্ধিবৃত্তিক পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। সকল আন্দোলন সংগ্রামের মূল কথা ছিল ‘কি চাই না’, কিন্তু ‘কি চাই’ সেই বিষয়ে কোনো ঐকমত্য ছিল না। জুলাই অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ‘কি চাই না’-এই সূত্রে সকলের ঐকমত্য ছিল। শেখ হাসিনার শাসনমালে প্রবল দমননীতি, সীমাহীন অত্যাচার, লাগামহীন দুর্নীতির ফলে ‘কি চাই না’ সেই বিষয়ে সকলের মধ্যে ঐকমত্য থাকলেও ‘কি চাই’Ñসে বিষয়ে কোনো ঐকমত্য ছিল না। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের চিন্তাচর্চার আন্তঃযোগাযোগ ছাড়া ‘কি চাই’ তত্ত্বে ঐক্য সাধন সম্ভব নয়। সমাজে ‘কি চাই’ তত্ত্ব নির্মাণ এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এর কোনো শর্ট-কাট পথ নেই। [ইকতিজা হাসান সম্পাদিত মাসিক বিবিধ পত্রিকা, ৩১ আগস্ট ২০২৫ ]

Free Aug 2925
Read
Article

প্রেম-ভালোবাসার সমীকরণ

আমরা তৈরি করেছিলাম ‘ভালোবাসার সূত্র’। আমাদের সূত্রটি ছিল এমন- ‘একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে অল্প সময় বা দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনো নির্জন ও সুন্দর উদ্যানে রেখে দিলে তারা পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার টান অনুভব করে; এই ভালোবাসার পরিমাণ উদ্যানে অবস্থানের সময়ের সঙ্গে সমানুপাতিক।’ এই সূত্র থেকে আমরা খুব সহজে বুঝতে পারি ভালোবাসার মাত্রা সময়ের সাথে সমানুপাতিকভাবে বাড়তে থাকবে। অর্থাৎ, প্রিয়জনকে বেশি সময় দিলে যুগলজীবন অধিক ভালোবাসাময় ও সুখময় হয়ে উঠবে। এমনটাই প্রত্যাশিত। এটিই ছিল ছাত্রাবস্থায় আমাদের ভালোবাসার উপপাদ্য (love theory) বা ভালোবাসার সূত্র (love equation)। গণিতে সমানুপাতিক সম্পর্ককে সমীকরণে রূপ দিতে হলে একটা ধ্রুব রাশির দরকার পড়ে। কিন্তু সেই ধ্রুব রাশি কি, কিভাবে এই ধ্রুব রাশির মান পাওয়া যাবে এসব বিষয় নিয়ে আরো বিস্তারিত ভাবার অবকাশ তখন হয়ে ওঠেনি। [ভিউজ বাংলাদেশ এর ঈদসংখ্যা ২০২৬ এ প্রকাশিত]

Free Mar 2026
Read
Article

জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের সমন্বয় কেন জরুরি?

একজন ডিসি বর্তমানে যে কাজগুলো করে থাকেন তার অধিকাংশ কাজই করার কথা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। কাজেই জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। জেলা পর্যায়ের উন্নয়ন ও শাসন কাঠামোর মূল কাজটি থাকতে হবে জেলা পরিষদের হাতে। আর জেলা পরিষদকে অবশ্যই হতে হবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যানই হতে পারেন জেলার সুযোগ্য অভিভাবক। ডিসি ও জেলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নামে যে পদ দুটি রয়েছে তাকে একীভূত করে জেলা পরিষদের আওতায় আনতে হবে। তাতে একদিকে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হবে, জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কাঠামোতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত। সর্বোপরি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। [দৈনিক বণিকবার্তা, ১১ নভেম্বর ২০২৫]

Free Nov 2025
Read
Article

প্রশাসনের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব?

নির্বাচন কমিশনের মোট ছয়টি অনুবিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত চারটির উচ্চপর্যায়ে প্রশাসন ক্যাডারের সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, নির্বাচন কমিশনের অর্গানোগ্রাম এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে এ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী বিভাগের পূর্ণ আধিপত্য বজায় রাখা হয়েছে। ফলস্বরূপ কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবর্তে কার্যত প্রশাসন ক্যাডারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে পড়েছে। [দৈনিক বণিকবার্তা, ১৩-৯-২০২৫]

Free Sep 2025
Read